Posts

Showing posts from January, 2022

বিনা খরচে কারিগরি দক্ষতার সনদ

Image
  সমাজে স্বল্পশিক্ষিত অনেকেই আছেন, যাঁরা হাতের কাজে দক্ষ। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশ লোকেরই দক্ষতার কোনো সনদ বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি নেই। ফলে তাঁদের কম বেতন বা মজুরিতেই কাজ শুরু করতে হয়। বর্তমানে শুধু দক্ষতা থাকলেই হয় না, প্রতিষ্ঠানগুলো চায় দক্ষতার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সনদ। সনদের অভাবে বঞ্চিত হতে হয় পদ-পদবি বা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে। এসব দক্ষ ব্যক্তির কর্মজীবনে উন্নতি ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সনদ অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছে স্কিলস অ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (স্টেপ)। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় প্রতিষ্ঠানটি ২০১০ সাল থেকে কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের গুণগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ ও দেশ-বিদেশে মানসম্মত কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি কারিগরি শিক্ষার বিভিন্ন বিষয়ে শুধু দক্ষ ব্যক্তিদের সনদ দেবে বলে জানিয়েছে। সারা দেশের মোট ২০টি আরপিএল অ্যাসেসমেন্ট কেন্দ্রের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ ও যোগ্য প্রার্থীদের এ সনদ দেওয়া হবে। এরই মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্রের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্...

ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প লাইসেন্স প্রক্রিয়া!

Image
  শিল্পনীতি ২০১০ এর আলোকে শিল্প নিবন্ধনের জন্য শিল্প উদ্যোক্তা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন দাখিল করেন। অতঃপর সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কর্তৃক কারখানার স্থান পরিদর্শন ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে গ্রহণযোগ্য হলে নির্ধারিত ফি গ্রহণসাপেক্ষে নিবন্ধন প্রদান করা হয়। সাধারনত সর্বোচ্চ নয় কার্য দিবসের মধ্যে সেবা নিশ্চিত করা হয়ে থাকে।  জেলা কার্যালয় থেকে এ সেবা পাওয়া যাবে। কার্যদিবস প্রয়োজনীয় ফি ১০০ – ৩০০০ টাকা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের অনুমোদিত নিবন্ধন ফি ও নবায়ন ফি এর বিবরণ • কুটির শিল্প নিবন্ধন ফরমের মূল্য: ৫০/= • ক্ষুদ্র শিল্প নিবন্ধন ফরমের মূল্য: ১০০/- • কুটির শিল্প নিবন্ধন ফি: সকল শ্রেণি ১৫০/- • ক্ষুদ্র শিল্প নিবন্ধন ফি: সকল শ্রেণি ১. ১০.০০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত-১০০০/- শ্রেণি ২. ১০,০০,০০১/- লক্ষ টাকা হতে ২০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত ২০০০/- শ্রেণি ৩. ২০,০০,০০০/- লক্ষ টাকার উপরে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ৩০০০/- • ক্ষুদ্র শিল্প নবায়ন ফি: সকল শ্রেণি ১. ১০.০০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১০০০/- শ্রেণি ২. ১০,০০,০০১/- লক্ষ টাকা হতে ২০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত- ২০০০/- শ্রেণি ৩. ২০,০০,০০০/- লক্ষ টাকার উপরে বিনিয়োগ...

ফার্মেসীর ব্যবসায় ড্রাগ লাইসেন্স করার প্রক্রিয়া!

Image
বর্তমান সময়ে ওষুধের দোকান বা ফার্মেসীর ব্যবসা খুবই লাভজনক একটি ব্যবসা। এ ব্যবসায় করতে হলে প্রয়োজন হয় লাইসেন্স করার। ওষুধের দোকান বা ফার্মেসী খুলে বৈধভাবে ওষুধের ব্যবসা করতে চাইলে ড্রাগ লাইসেন্স নেয়া জরুরি। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ঔষধ প্রশাসনের কাছ থেকে ড্রাগ লাইসেন্স নিতে হয়। ঔষধ প্রশাসনের নির্ধারিত ফরম-৭ এর মাধ্যমে আবেদন করতে হয় ড্রাগ লাইসেন্স এর জন্য। আর সাথে জমা দিতে হয় কিছু কাগজপত্র। চলুন জেনে নিই কি কি কাগজপত্র আপনাকে জমা দিতে হবে সে সম্পর্কে। ১. ব্যাংক স্বচ্ছলতার সনদপত্র। ২. লাইসেন্স ফি জমা দেয়ার ট্রেজারী চালান। ৩. দোকান ভাড়ার রসিদ বা চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। নিজস্ব দোকান হলে দলিলের ফটোকপি। ৪. ফার্মাসিস্টের অঙ্গীকারপত্র। ৫. পৌর এলাকার ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সের কপি। ফার্মাসিস্টের সনদের জন্য ফার্মেসী কাউন্সিল থেকে আপনাকে ছয় মাস মেয়াদী একটি কোর্স করতে হবে। প্রতি তিন মাস পর পর ঔষধ প্রশাসনের সভা হয়, যেখানে তথ্যগুলো যাচাই বাছাই সাপেক্ষে লাইসেন্স প্রদান করা হয়। লাইসেন্স ফি ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হয়। পৌর এলাকার জন্য ...

ব্যবসায়ের জন্য ট্রেড লাইসেন্স প্রক্রিয়া!

Image
 আইন অনুযায়ী বৈধভাবে ব্যবসা করতে গেলে প্রয়োজন হয় ট্রেড লাইসেন্স করার। বৈধভাবে যেকোনো ব্যবসা পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করা বাধ্যতামূলক। আর এর জন্য কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয় ও কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয়। সাধারণত সিটি করপোরেশন ও মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা বা জেলা পরিষদ এই লাইসেন্স প্রদান করে থাকে। ব্যবসা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এ ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহারযোগ্য নয়। ঢাকা সিটি করপোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ) তার নাগরিকদের সেবা দেওয়ার জন্য সিটি করপোরেশনকে কতগুলো অঞ্চলে বিভক্ত করেছে। এর মধ্যে উত্তর সিটি করপোরেশন এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মিলে মোট দশটি অঞ্চল রয়েছে। আপনার প্রতিষ্ঠানটি যে অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, সেই অঞ্চলের অফিস থেকেই আপনার ট্রেড লাইসেন্সটি সংগ্রহ করতে হবে।   ট্রেড লাইসেন্সের জন্য সিটি করপোরেশনের দুই ধরনের ফরম রয়েছে। আপনি যে ধরনের ব্যবসা করছেন বা করতে ইচ্ছুক, তার ওপর ভিত্তি করে ফরম সংগ্রহ করতে হবে। ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ছবি জমা দিয়ে মূল ট্রেড লাইসেন্স বইটি সংগ্রহ করতে হবে। সিটি করপোরেশনের দ্বারা আপনার প্...

ট্রেডমার্ক নিবন্ধন প্রক্রিয়া !

Image
সাধারণত ব্যবসার ক্ষেত্রে কোনো পণ্যকে অন্য পণ্য থেকে আলাদা করার জন্য ট্রেডমার্ক ব্যবহার করা হয়। ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করা খুবই জরুরি। সাধারণত ট্রেডমার্ক নিবন্ধন দেওয়া হয়ে থাকে সাত বছরের জন্য। তবে নবায়ন করা যায়। আবেদন করার নিয়ম বাংলাদেশের পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তরের রেজিস্ট্রার বরাবরে পণ্যের ধরন অনুযায়ী নিবন্ধনের আবেদন করতে হবে। আবেদন পাওয়া যাবে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpdt.gov.bd)। আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আবেদন ফি জমা করতে হয়। কত ধরনের পণ্য বা সেবার জন্য নিবন্ধন চাওয়া হয়েছে তার ওপর নির্ভর করে নিবন্ধন ফি কত হবে। তবে প্রথমেই পণ্য ও সেবার আন্তর্জাতিক শ্রেণীবিভাগ অনুযায়ী আপনার পণ্য কোন শ্রেণীভুক্ত তা আবেদনে লিখতে হবে। আন্তর্জাতিক নাইস (NICE) অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী পণ্যের শ্রেণী জেনে নিতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পর পরীক্ষা করে দেখা হয়। আবেদন ত্রুটিপূর্ণ বা আপত্তিকর হলে লিখিত জানিয়ে দেওয়া হবে। আপনি জবাব প্রদান এবং শুনানির সুযোগ পাবেন। জবাব সন্তোষজনক না হলে আপনার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হবে। আপনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলেও আবেদনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা ...