Posts

সমবায় সমিতির নিবন্ধন প্রক্রিয়া !

Image
  সরকারি কর্মসূচির আওতাভুক্ত নয় এরূপ সমবায় সমিতি অর্থাৎ সাধারণ জনগণ ২০জন মিলে একটি প্রাথমিক সমবায় সমিতির নিবন্ধন জেলা সমবায় অফিসার প্রদান করে থাকেন। এরূপ সমবায় সমিতি নিবন্ধন পেতে হলে নিম্নরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে: প্রাপ্তবয়স্ক কমপক্ষে ২০ জন সাধারণ জনগণের আবেদন এবং সমবায় সমিতি নিবন্ধন নীতিমালা,২০১৩ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানা সমবায় অফিসে দাখিল করতে হয়। উপজেলা সমবায় অফিসার দাখিলকৃত রেকর্ডপত্র নিজে অথবা সহকারী পরিদর্শক সরজমিনে যাচাই করেন। যাচাই শেষে উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানা সমবায় অফিসার যাচাই প্রতিবেদন এবং আবেদনকারী কর্তৃক দাখিলকৃত রেকর্ডপত্র জেলা সমবায় অফিসার বরাবরে প্রেরণ করেন। জেলা সমবায় অফিসারের নিবন্ধনের বিষয়ে আপত্তি না থাকলে নিবন্ধন প্রদান এবং নিবন্ধনসংক্রান্ত যাবতীয় রেকর্ডপত্র সংশ্লিষ্ট সমবায় অফিস ও আবেদনকারীর নিকট প্রেরণ করেন। নিবন্ধনের আপত্তি থাকলে তাঁর কার্যালয়ের পরিদর্শক কর্তৃক সরজমিনে তদন্ত করাবেন এবং তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে নিবন্ধন প্রদান অথবা রেকর্ডপত্র সংশোধনের জন্য বা নিবন্ধন নামঞ্জুর করে নিবন্ধনসংক্রান্ত যাবতীয় রেকর্ডপত্র সংশ্ল...

ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসার লাইসেন্স প্রক্রিয়া !

Image
  মানুষের যতগুলো শখ বয়েছে তার মধ্যে ট্রাভেল তথা নতুন নতুন জায়গা, দেশ, বিভিন্ন প্রাচীন স্থাপনা, সাগর, নদী, পাহাড়, প্রকৃতিতে ঘুরে বেড়ানো অন্যতম। এ ছাড়া কাজের প্রয়োজনেও মানুষকে বিভিন্ন স্থানে যেতে হয়। এক্ষেত্রে তাদের কারো না কারো সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। এই ভ্রমণপ্রিয় এবং কাজের প্রয়োজনে নানা স্থানে যাওয়া মানুষগুলোকে অর্থের বিনিময়ে যেসব প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করে থাকে তাদের বলা হয় ট্রাভেল এজেন্সি। যেকেউ চাইলেই ট্রাভেল এজেন্সি চালু করতে পারে না। ট্রাভেল এজেন্সি চালুর পূর্বে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। আগ্রহী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে নির্ধারিত কোডে আবেদন ফি জমা দিয়ে ট্রেজারি চালানের কপি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্ধারিত ফরমে মন্ত্রণালয়ে আবেদন দাখিল করা হলে তা ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে সঠিকতা যাচাই বাছাই করা হয়। কাগজপত্র সঠিক থাকলে সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রেশন ফি ও ভ্যাট জমা প্রদানের জন্য ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে দাবিপত্র জারি করবে। ট্রেজারি চালানের মূলকপি প্রাপ্তির পর তা অন-লাইনে যাচাই করে নিশ্চিত হতে হবে। নিশ্চিত হওয়ার পর এজে...

টিসিবি পণ্যের ডিলার লাইসেন্স পাবেন যেভাবে!

Image
  সেবার সংক্ষিপ্ত বিবরণ: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণাণলের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। টিসিবির প্রধান কার্যাবলীর মধ্যে সরকারের নীতি অনুযায়ী বিভিন্ন ধরণের পণ্য আমদানি করা, আমদানিকৃত পণ্য ন্যায্য মূল্যে বিক্রয় ও বিতরণ করা, পণ্য-মূল্য স্থিতিশীল রাখা ইত্যাদি রয়েছে। টিসিবি কর্তৃপক্ষ ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেতে আগ্রহীরা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদন করলে তা যাচাই-পূর্বক চূড়ান্তভাবে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়। সেবার সুবিধা: সরকারি গুরুত্বপূর্ণ অধিদপ্তরের ডিলারশীপ পাওয়া যায়। বৈধভাবে ব্যবসা করা যায়। প্রক্রিয়া: টিসিবির ডিলার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এ আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে। সঠিক আবেদনের ভিত্তিতে ডিলারশীপ দেওয়া হয়। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র দিতে হবে। আবেদনকারীকে সরাসরি চেয়ারম্যান, টিসিবি বরাবর অথবা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক এর মাধ্যমে অথবা টিসিবির সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে চেয়ারম্যান, টিসিবি বরাবর প্রয়োজনীয় ক...

বিনা খরচে কারিগরি দক্ষতার সনদ

Image
  সমাজে স্বল্পশিক্ষিত অনেকেই আছেন, যাঁরা হাতের কাজে দক্ষ। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশ লোকেরই দক্ষতার কোনো সনদ বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি নেই। ফলে তাঁদের কম বেতন বা মজুরিতেই কাজ শুরু করতে হয়। বর্তমানে শুধু দক্ষতা থাকলেই হয় না, প্রতিষ্ঠানগুলো চায় দক্ষতার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সনদ। সনদের অভাবে বঞ্চিত হতে হয় পদ-পদবি বা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে। এসব দক্ষ ব্যক্তির কর্মজীবনে উন্নতি ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সনদ অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছে স্কিলস অ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (স্টেপ)। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় প্রতিষ্ঠানটি ২০১০ সাল থেকে কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের গুণগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ ও দেশ-বিদেশে মানসম্মত কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি কারিগরি শিক্ষার বিভিন্ন বিষয়ে শুধু দক্ষ ব্যক্তিদের সনদ দেবে বলে জানিয়েছে। সারা দেশের মোট ২০টি আরপিএল অ্যাসেসমেন্ট কেন্দ্রের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ ও যোগ্য প্রার্থীদের এ সনদ দেওয়া হবে। এরই মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্রের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্...

ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প লাইসেন্স প্রক্রিয়া!

Image
  শিল্পনীতি ২০১০ এর আলোকে শিল্প নিবন্ধনের জন্য শিল্প উদ্যোক্তা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন দাখিল করেন। অতঃপর সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কর্তৃক কারখানার স্থান পরিদর্শন ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে গ্রহণযোগ্য হলে নির্ধারিত ফি গ্রহণসাপেক্ষে নিবন্ধন প্রদান করা হয়। সাধারনত সর্বোচ্চ নয় কার্য দিবসের মধ্যে সেবা নিশ্চিত করা হয়ে থাকে।  জেলা কার্যালয় থেকে এ সেবা পাওয়া যাবে। কার্যদিবস প্রয়োজনীয় ফি ১০০ – ৩০০০ টাকা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের অনুমোদিত নিবন্ধন ফি ও নবায়ন ফি এর বিবরণ • কুটির শিল্প নিবন্ধন ফরমের মূল্য: ৫০/= • ক্ষুদ্র শিল্প নিবন্ধন ফরমের মূল্য: ১০০/- • কুটির শিল্প নিবন্ধন ফি: সকল শ্রেণি ১৫০/- • ক্ষুদ্র শিল্প নিবন্ধন ফি: সকল শ্রেণি ১. ১০.০০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত-১০০০/- শ্রেণি ২. ১০,০০,০০১/- লক্ষ টাকা হতে ২০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত ২০০০/- শ্রেণি ৩. ২০,০০,০০০/- লক্ষ টাকার উপরে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ৩০০০/- • ক্ষুদ্র শিল্প নবায়ন ফি: সকল শ্রেণি ১. ১০.০০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১০০০/- শ্রেণি ২. ১০,০০,০০১/- লক্ষ টাকা হতে ২০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত- ২০০০/- শ্রেণি ৩. ২০,০০,০০০/- লক্ষ টাকার উপরে বিনিয়োগ...

ফার্মেসীর ব্যবসায় ড্রাগ লাইসেন্স করার প্রক্রিয়া!

Image
বর্তমান সময়ে ওষুধের দোকান বা ফার্মেসীর ব্যবসা খুবই লাভজনক একটি ব্যবসা। এ ব্যবসায় করতে হলে প্রয়োজন হয় লাইসেন্স করার। ওষুধের দোকান বা ফার্মেসী খুলে বৈধভাবে ওষুধের ব্যবসা করতে চাইলে ড্রাগ লাইসেন্স নেয়া জরুরি। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ঔষধ প্রশাসনের কাছ থেকে ড্রাগ লাইসেন্স নিতে হয়। ঔষধ প্রশাসনের নির্ধারিত ফরম-৭ এর মাধ্যমে আবেদন করতে হয় ড্রাগ লাইসেন্স এর জন্য। আর সাথে জমা দিতে হয় কিছু কাগজপত্র। চলুন জেনে নিই কি কি কাগজপত্র আপনাকে জমা দিতে হবে সে সম্পর্কে। ১. ব্যাংক স্বচ্ছলতার সনদপত্র। ২. লাইসেন্স ফি জমা দেয়ার ট্রেজারী চালান। ৩. দোকান ভাড়ার রসিদ বা চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। নিজস্ব দোকান হলে দলিলের ফটোকপি। ৪. ফার্মাসিস্টের অঙ্গীকারপত্র। ৫. পৌর এলাকার ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সের কপি। ফার্মাসিস্টের সনদের জন্য ফার্মেসী কাউন্সিল থেকে আপনাকে ছয় মাস মেয়াদী একটি কোর্স করতে হবে। প্রতি তিন মাস পর পর ঔষধ প্রশাসনের সভা হয়, যেখানে তথ্যগুলো যাচাই বাছাই সাপেক্ষে লাইসেন্স প্রদান করা হয়। লাইসেন্স ফি ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হয়। পৌর এলাকার জন্য ...

ব্যবসায়ের জন্য ট্রেড লাইসেন্স প্রক্রিয়া!

Image
 আইন অনুযায়ী বৈধভাবে ব্যবসা করতে গেলে প্রয়োজন হয় ট্রেড লাইসেন্স করার। বৈধভাবে যেকোনো ব্যবসা পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করা বাধ্যতামূলক। আর এর জন্য কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয় ও কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয়। সাধারণত সিটি করপোরেশন ও মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা বা জেলা পরিষদ এই লাইসেন্স প্রদান করে থাকে। ব্যবসা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এ ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহারযোগ্য নয়। ঢাকা সিটি করপোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ) তার নাগরিকদের সেবা দেওয়ার জন্য সিটি করপোরেশনকে কতগুলো অঞ্চলে বিভক্ত করেছে। এর মধ্যে উত্তর সিটি করপোরেশন এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মিলে মোট দশটি অঞ্চল রয়েছে। আপনার প্রতিষ্ঠানটি যে অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, সেই অঞ্চলের অফিস থেকেই আপনার ট্রেড লাইসেন্সটি সংগ্রহ করতে হবে।   ট্রেড লাইসেন্সের জন্য সিটি করপোরেশনের দুই ধরনের ফরম রয়েছে। আপনি যে ধরনের ব্যবসা করছেন বা করতে ইচ্ছুক, তার ওপর ভিত্তি করে ফরম সংগ্রহ করতে হবে। ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ছবি জমা দিয়ে মূল ট্রেড লাইসেন্স বইটি সংগ্রহ করতে হবে। সিটি করপোরেশনের দ্বারা আপনার প্...